সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নকলায় বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কার দাবিতে ও শিক্ষার্থীর ওপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির টিউবওয়েল বিতরণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শ্লোগানের প্রতিবাদে নকলায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন এবার শেরপুরকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে ইত্যাদি অনুষ্ঠান : সকল কাজ প্রায় শেষ বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় নকলায় “মাদককে না বলুন” কর্মসূচি বাস্তবায়নে শপথ গ্রহণ নকলায় জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নকলায় শিশু ও নারী নির্যাতন বিরোধী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নকলায় যুবদের হুইসেলব্লোয়ার হিসেবে অন্তর্ভূক্তিকরণ সভা নকলার ইউএনও শুদ্ধাচার পুরস্কার পাওয়ায় যুবফোরাম কর্তৃক সম্মাননা স্মারক প্রদান

শান্তিপূর্ণ ভাবে ইসলামনগর সাইলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৬১১ বার পঠিত

শেরপুরের নকলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইসলামনগর সাইলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ গঠনের জন্য অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহন চলে।

৪জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি ও একজন সংরক্ষিত নারী অভিভাবক প্রতিনিধি বাছাইয়ের লক্ষ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ৮জন পুরুষ সাধারণ অভিভাবক ও ২জন মহিলা অভিভাবক প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

এতে সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে আমিনুল ইসলাম সর্বোচ্চ ২৯৮ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান, মঞ্জুরুল হক ২৮৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান, মো. খোকন মন্ডল ২৮৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান ও হতেম আলী ২৬২ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থান অধিকার করে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে মো. আকরাম হোসেন পেয়েছেন ১৫২ ভোট, মো. চাঁন মিয়া পেয়েছেন ১২০ ভোট, মো. মমিনুল ইসলাম ১১০ ভোট পেয়েছেন ও মো. দেলোয়ার ফকির দুলাল পেয়েছেন ১০২ ভোট।

তাছাড়া জেসমিন আক্তার ২৯৭ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম ও একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মোছা. শিল্পী আক্তার পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

এই নির্বাচনে দুটি প্যানেলে ৫ জন করে অভিভাবক নিজ নিজ প্রার্থীতা ঘোষণা করে নির্বাচনী মাঠে নামেন। নির্বাচনী ফলাফল ও লিফলেট আকারে প্রকাশিত প্যানেল সূত্রে জানা গেছে, আলহাজ্ব আজিজুল হক মন্ডল প্যানেলের ৫ জনই নির্বাচিত হয়েছেন।

এ নির্বাচনে শিক্ষার্থীর ৮০৩ জন অভিভাবক তাদের মনোনিত প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ থাকলেও ৬৪৪ জন অভিভাবক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রত্যেক ভোটার ৪টি পুরুষ ও একটি নারী প্রার্থীকে টিক চিহেৃর মাধ্যমে তাদের ভোট প্রয়োগ করেন।

কাস্টিং ৬৪৪ ভোটের মধ্যে সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির ২১৫ টি ভোট এবং সংরক্ষিত নারী অভিভাবক প্রতিনিধির ২১৬ টি ভোট নষ্ট হিসেবে গন্য হয়েছে বলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য মতে জানা গেছে।

সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ৪টি বুথের মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হয়। এর জন্য ৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়।

এছাড়া একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নিরাপত্তার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিলো। ভোটারদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নারী-পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি অতীতের সকল নির্বাচনকে হার মানিয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেন। সকাল পৌণে ১০টা থেকেই ২টি লাইনে নারী ও ২টি লাইনে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষনীয়।

ইসলামনগর সাইলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখায় রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বুলবুল আহম্মদ, প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ ভোটারবৃন্দ ও এলাকাবসীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।সুষ্ঠু, অবাদ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়ায় বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালমা আক্তার রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, অভিভাবক তথা ভোটারবৃন্দ, পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মী, এলাকাবাসী, সকল শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশসহ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য এমন উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এলাকায় একে অপরের সাথে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হবে না বলে অনেকে মন্তব্য করেন। সব জায়গায় এমন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সবার অংশ গ্রহন মূলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা হলে, কমিটি গঠন নিয়ে কোন প্রকার দ্বন্দ্ব থাকবে না, কমবে দুর্নীতির হার, হ্রাস পাবে স্বৈরচারী মনোভাব। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের মূল্যায়ন বাড়বে, বাড়বে শিক্ষকগনের সম্মান; এমনটাই মনে করছেন সুশীলজন।

 

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102
error: ভাই, খবর কপি না করে, নিজে লিখতে অভ্যাস করুন।