সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নকলায় ময়মনসিংহ যুবসমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ কবিতা :: ‘কোরবানির গরুর হাট’ নকলা প্রেসক্লাব’র উদ্যোগে সাংবাদিকদের ঈদ উপহার প্রদান নকলায় ১টি আগাম জামাতসহ ১০২ ময়দানে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে নকলায় কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী নকলার ১৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পেলো সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী’র ঈদ উপহার নকলায় গাছের সাথে শত্রুতা! সুষ্ঠু বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী সংক্ষিপ্ত সফরে নকলায় পৌঁছেছেন নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী ৩ প্রার্থীর শপথ গ্রহণ নকলায় ঈদ উপলক্ষে ২১৬৯ পরিবারের মাঝে ভিডব্লিউবি কর্মসূচির চাল বিতরণ

৪ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৪৪ বার পঠিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস ৪ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এ দিনেই মিত্র বাহিনীর সহযোগিতায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ঝিনাইগাতী অঞ্চলকে শক্রমুক্ত করে।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার টেলিগ্রাম বার্তাটি পৌঁছায় ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়ারলেস অফিসে। পরদিন স্থানীয় ছাত্রনেতা ফকির আব্দুল মান্নান বার্তাটি পৌঁছে দেন শেরপুর সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দের হাতে।

১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কাল রাতে যখন ঢাকার বুকে হত্যাযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী, সেই রাতেই ৩টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঠানো স্বাধীনতার ঘোষণার টেলিগ্রাম মেসেজ ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়্যারলেস অফিসে পৌঁছে। শুরু হয় প্রতিরোধ সংগ্রাম। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া পাতার ক্যাম্পে বাঙ্গালী যুবকদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প খোলা হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে এসব মুক্তিযোদ্ধারা ও ইপিআর সৈনিকদের নিয়ে সুবেদার হাকিম মধুপুরে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। কিন্তু হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের সামনে টিকতে না পেরে ২৬ এপ্রিল ভারতে আশ্রয় নেন তারা।

এরপর আবার ২৩ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক আক্রমণ চালিয়ে তাওয়াকুচা ক্যাম্পের পাক বাহিনীকে লক্ষ্য করে। আর এতে সফলতা পায় ও ক্যাম্প দখল করে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। ৩ আগস্ট নকশী পাকিস্তানী ক্যাম্প আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই সম্মুখ যুদ্ধে পাক বাহিনীর ৩৫ জন সদস্য নিহত হয়। ২৭ নভেম্বর কমান্ডার জাফর ইকবালের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঝিনাইগাতী বাজারের রাজাকার ক্যাম্প দখল করেন। ওই সময় ৮ রাইফেলসহ ৮ রাজাকারকে আটক করে তারা।

এভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর্যুপরি আক্রমণে হানাদার বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। অবশেষে কামালপুর দুর্গ পতনের আগাম সংবাদ পেয়ে ৩ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টায় ঝিনাইগাতীর শালচুড়া ক্যাম্পের পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটে। এরপর আহমদ নগর পাকিস্তানী হেডকোয়ার্টারের সৈনিকদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই মোল্লাপাড়া ক্যাম্প গুটিয়ে শেরপুর শহরে আশ্রয় নেয়। আর এভাবেই বিনাযুদ্ধে ঝিনাইগাতী শক্রমুক্ত হয়। ৪ ডিসেম্বর ভোরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্ত ঝিনাইগাতীতে প্রবেশ করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ায়।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102
error: ভাই, খবর কপি না করে, নিজে লিখতে অভ্যাস করুন।