বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে ডিএসএ’র দাবা প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ছাত্রলীগ থেকে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন তরুণ সমাজসেবক কনক ঐতিহাসিক ভোট পেয়ে নকলা উপজেলা পরিষদের নতুন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হলেন লাকী নকলা উপজেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম সোহাগ নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত হলেন যাঁরা মেঘলা দিনে নকলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সোহাগ, ভাইস চেয়ারম্যান পদে কনক ও লাকী নির্বাচিত নকলার ৭৯ কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছেছে ব্যালট পেপার যাবে সকালে নকলায় নির্বাচনি প্রচারনা বন্ধ, নিয়ন্ত্রিত যানবাহন ২১ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা নকলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা ঘোষণা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহাগ

নকলায় স্বেচ্ছায় জমি চাষ করে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ট্রাক্টর মালিকরা

এম.এম হোসাইন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২৫১ বার পঠিত

শেরপুরের নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের সালোয়া গ্রামে স্বেচ্ছায় কৃষকের জমি চাষ করে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন স্থানীয় ট্রাক্টর মালিকরা। ট্রাক্টর মালিক রফিকুল ইসলামের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় কৃষকের জমি চাষ করে দিয়ে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন অন্তত ১৪ জন ট্রাক্টর মালিক।

প্রশংসার দাবীদার ট্রাক্টর মালিকরা হলেন- বজলু মিয়া, রবি মিয়া, ফিরোজ মিয়া, আব্দুর রশিদ মিষ্টার, রসুল মিয়া, রোমান মিয়া, হেলাল উদ্দীন, শাজাহান আলী, মওলা মিয়া, মজিবুর রহমান, আলম মিয়া, বজলু মিয়া, পঁচা মিয়া ও ফিরুজ মিয়া। এই ১৪ জন ট্রাক্টর মালিক সালোয়া গ্রামের কৃষক কছিম উদ্দিন, মোবারক হোসেন ও বাবুল মিয়াসহ কয়েকজন কৃষকের প্রায় ৩ একর জমি স্বেচ্ছায় চাষ করেদেন।

ট্রাক্টর মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, সালোয়া গ্রামের ছোট কৃষক মোবারক হোসেন স্থানীয় এক ট্রাক্টর মালিককে জমি চাষ করে দিতে বলায়, তার জমি চাষ না করে দিয়ে উল্টা ওই দরিদ্র বর্গাচাষীকে বিভিন্ন কথা-বার্তার মাধ্যমে কৌশলে লজ্জা দেয়। পরে ওই বর্গাচাষী ট্রাক্টর মালিক রফিকুল ইসলামকে জানালে সে স্বেচ্ছায় ওই কৃষকের জমি চাষ করে দিতে এলাকার অন্যান্য ট্রাক্টর মালিকদের অনুরোধ করলে তারা সবাই স্বেচ্ছায় ওই বর্গাচাষীর জমি চাষ করে দেওয়ার সম্মতি জানান। পরের দিন সকালে এলাকার অন্তত ১৪ জন তাদের নিজ নিজ ট্রাক্টর নিয়ে নির্ধারিত জমিতে হাজির হন। তারা ওই বর্গাচাষীর জমি চাষ শেষ করে আশেপাশের আরও কয়েক কৃষকের অন্তত ৩ একর জমি স্বেচ্ছায় চাষ করে দেন। এতে এলাকা ছাড়িয়ে উপজেলা ব্যাপী তাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।

কৃষক মোবারক হোসেন জানান, আমি আমার জমি চাষ করতে বলিনি। তবুও আমার পারিপার্শিক অবস্থা বিবেচনায় তারা আমার জমি চাষ করে দিয়েছেন। এতে আমি খুবই উপকৃত ও আনন্দিত হয়েছি। আমার এই জমি টুকু চাষ করতে অনেক টাকা গুণতে হতো। কিন্তু আজ আমার জমি বিনামূল্যে চাষ করে দিয়েছেন এলাকার ট্রাক্টর মালিকগন। তাদের প্রতি কৃষকরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উদ্যোক্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে করোনাকালীন সময়ে আমরা দরিদ্র ও বর্গাচাষী কয়েকজন কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত। চলমান করোনা ক্রান্তিকালে দেশের সকল ধনাঢ্য ট্রাক্টর মালিকরা যদি দরিদ্র কৃষক ভাইদের পাশে এভাবে দাঁড়াতেন তাহলে দরিদ্র কৃষক ও বর্গাচাষীরা কিছুটা হলেও উপকৃত হতেন। এতে একে অপরের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হতো, দরিদ্র কৃষকরা আগ্রহী হতেন ধান চাষে। ফলে উপকৃত হতেন কৃষক, সমৃদ্ধ হতো কৃষি অর্থনীতি। এমনটাই মনে করছেন সুশীলজন।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102
error: ভাই, খবর কপি না করে, নিজে লিখতে অভ্যাস করুন।