বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১৪ অপরাহ্ন

নকলায় ১৩,১৪২ ভিজিএফ কার্ডধারীরা চালের পরিবর্তে প্রত্যেকে পেলেন ৪৫০ টাকা

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ২৫৯ বার পঠিত

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ১৩ হাজার ১৪২ টি পরিবারের মাঝে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ)-এর আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রতিজনে নগদ ৪৫০ টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে। সুবিধাভোগী পরিবার গুলোর মধ্যে পৌরসভার ৩ হাজার ৮১টি ও উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১০ হাজার ৬১টি পরিবারের প্রধানের হাতে নগদ ৪৫০ টাকা করে তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে গনপদ্দী ইউনিয়নের এক হাজার ৩৫০ জনের মাঝে ৬ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা, নকলা ইউনিয়নের এক হাজার ২৫ জনের মাঝে ৪ লাখ ৬১ হাজার ২৫০ টাকা, উরফা ইউনিয়নের এক হাজার ২৭৩ জনের মাঝে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৫০ টাকা, গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৬০৭ জনের মাঝে ২ লাখ ৭৩ হাজার ১৫০ টাকা, বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ৯১৫ জনের মাঝে ৪ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা, পাঠাকাটা ইউনিয়নের এক হাজার ২০০ জনের মাঝে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা, টালকী ইউনিয়নের ৯৬৬ জনের মাঝে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭০০ টাকা, চর অষ্টধর ইউনিয়নের এক হাজার ২৭০ জনের মাঝে ৫ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের এক হাজার ৪৫৫ জনের মাঝে ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫০ টাকা বিতরণ করা হয়।

পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফয়েজ মিল্লাত বলেন, প্রতিবছর ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হতো। এ বছর চালের বদলে টাকা বিতরণ করা হয়। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এ টাকা বিতরণ করা হয়েছে তিনি জানান। অধিকতর স্বচ্ছতার জন্য উপকারভোগীদের মূল জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে তালিকা তৈরি করে উপজেলা কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পরে বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিকার (পিআইও) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচির আওতায় প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হতো। এবারের ঈদে চালের পরিবর্তে দুস্থ, অতিদরিদ্র ব্যক্তি ও পরিবারের ভিজিএফ প্রতি কার্ডের বিপরীতে নগদ ৪৫০ টাকা করে বিতরণ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার ভিজিএফ কমিটির প্রকাশ্যে সভায় তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে এবার তালিকায় দুস্থ, অতিদরিদ্র নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নে মোট কার্ডধারী রয়েছে ১৩ হাজার ১৪২ জন। এর জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ৫৯ লাখ ১৩ হাজার ৯০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন, অনিয়ম ঠেকিয়ে সুষ্ঠুভাবে ভিজিএফ’র নগদ টাকা বিতরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। একই পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তি যেন এ সুবিধা ভোগ করতে না পারেন, এর জন্য বিভিন্ন দপ্তর প্রধানদের ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102
error: ভাই, খবর কপি না করে, নিজে লিখতে অভ্যাস করুন।